প্রিন্ট এর তারিখ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সড়ক ও রেলসেতু নির্মাণের দাবিতে বাবা-ছেলের ১৯ দিনের দীর্ঘ পদযাত্রা
মো: রাকিবুল ইসলাম খান, রিপোর্টার ||
গাইবান্ধার বালাসীঘাট থেকে জামালপুরের বাহাদুরাবাদ
ঘাট পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ সড়ক ও রেলসেতু
নির্মাণের দাবিতে ২০ জেলা পায়ে
হেঁটে ঢাকায় পৌঁছেছেন বাবা ও ছেলে।
গত ১৬ আগস্ট গাইবান্ধা
থেকে শুরু হওয়া তাঁদের
পদযাত্রা ১৯তম দিনে শনিবার
রাজধানীর জিরো পয়েন্টে এসে
শেষ হয়। ঢাকায় পৌঁছে
তাঁরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সেতু নির্মাণের
দাবিতে স্মারকলিপি দেওয়ার কথা জানিয়েছেন।পদযাত্রায় বাবা-ছেলে গাইবান্ধা
থেকে বগুড়া, নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, নাটোর, পাবনা, কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, যশোর, খুলনা, বাগেরহাট, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, মাদারীপুর ও মুন্সিগঞ্জ হয়ে
ঢাকায় প্রবেশ করেন। দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়ার
সময় বিভিন্ন জেলা সদর ও
গ্রামীণ এলাকায় সাধারণ মানুষ, পরিবহন শ্রমিক ও কৃষকদের সঙ্গে
কথা বলে তাঁরা সেতুর
প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।পদযাত্রীদের ভাষ্য, একসময় উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে ঢাকার যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম ছিল বালাসী-বাহাদুরাবাদ
নৌপথ। যমুনা নদীর নাব্যতা সংকট
ও বিকল্প সেতুর অভাবে দীর্ঘদিন ধরে এই নৌপথ
বন্ধ রয়েছে। এতে গাইবান্ধা, কুড়িগ্রামসহ
রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জেলার মানুষকে যমুনা সেতু হয়ে ঢাকায়
আসতে অতিরিক্ত পথ পাড়ি দিতে
হচ্ছে।তাঁদের দাবি, বালাসী ও বাহাদুরাবাদের মধ্যে
সড়ক ও রেল সংযোগসহ
সেতু নির্মাণ করা হলে রংপুর
বিভাগের সঙ্গে জামালপুর, ময়মনসিংহ ও ঢাকার যোগাযোগ
সহজ হবে। একই সঙ্গে
কৃষিপণ্য দ্রুত রাজধানীতে পরিবহন এবং উত্তরাঞ্চলের অর্থনৈতিক
কার্যক্রমে গতি আসবে।পদযাত্রায় অংশ নেওয়া বাবা
বলেন, দীর্ঘদিন ধরে উত্তরাঞ্চলের মানুষ
এই সেতু নির্মাণের দাবি
জানিয়ে আসছেন। বিভিন্ন সময়ে আশ্বাস দেওয়া
হলেও প্রকল্প বাস্তবায়নে দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি। তাই নীতিনির্ধারকদের দৃষ্টি
আকর্ষণ এবং দাবিটিকে গণদাবিতে
পরিণত করতেই ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে এই পদযাত্রা
করেছেন তিনি।
ঢাকায়
পৌঁছে সেতু ভবনে গিয়ে
সেতু বিভাগের সচিবের কাছে স্মারকলিপি দেওয়ার
পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন বাবা-ছেলে। তাঁদের এই দীর্ঘ পদযাত্রা
পথে বিভিন্ন এলাকার মানুষের মধ্যে কৌতূহল ও সহমর্মিতা তৈরি
করেছে।
কপিরাইট © ২০২৬ City News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত