প্রিন্ট এর তারিখ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬
ভূমি জটিলতায় থমকে আছে দুই গ্যাস অনুসন্ধান কূপের কাজ
শেখ মো: বেলায়েত হোসেন, রিপোর্টার ||
দেশের গ্যাস
সংকট
মোকাবিলায় সিলেটে
দুটি
অনুসন্ধান কূপ
খননের
উদ্যোগ
নেওয়া
হলেও
ভূমি
জটিলতায় প্রকল্পের অগ্রগতি থমকে
আছে।
ডুপিটিলা-১
নম্বর
কূপের
ভূমি
উন্নয়ন
ও
সংযোগ
সড়কের
কাজ
শুরু
হলেও
স্থানীয়দের বাধায়
তা
চলছে
ধীরগতিতে। আর
কৈলাশটিলা-৯
নম্বর
কূপের
ভূমি
উন্নয়ন
ও
সংযোগ
সড়কের
কাজ
এখনো
শুরু
হয়নি।
গত
৩০
সেপ্টেম্বর প্রকল্পের মেয়াদ
শেষ
হলেও
মাঠপর্যায়ে মূল
কাজের
উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি নেই।বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও
মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) সরেজমিন প্রতিবেদনে এ
চিত্র
উঠে
এসেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগস্ট
২০২৪
পর্যন্ত প্রকল্পের আর্থিক
অগ্রগতি ছিল
৮
দশমিক
৩৯
শতাংশ
এবং
বাস্তব
অগ্রগতি প্রায়
১৬
শতাংশ।
সর্বশেষ হিসাবে
২০২৬-২৭ অর্থবছরের আগস্ট
পর্যন্ত ব্যয়
হয়েছে
৩
কোটি
৯১
লাখ
টাকা।
একই
সময়ে
মূলধন
ব্যয়ের
অগ্রগতি প্রায়
শূন্যের কাছাকাছি।সিলেট গ্যাস
ফিল্ডস
লিমিটেডের (এসজিএফএল) বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পটির মোট
ব্যয়
ধরা
হয়েছে
৬৪৬
কোটি
৪৮
লাখ
টাকা।
এর
মধ্যে
সরকারি
অর্থায়ন ৪১৪
কোটি
৭৮
লাখ
এবং
এসজিএফএলের নিজস্ব
অর্থ
২৩১
কোটি
৭০
লাখ
টাকা।
জৈন্তাপুরে ডুপিটিলা-১
এবং
গোলাপগঞ্জে কৈলাশটিলা-৯
নম্বর
কূপ
খনন
করা
হবে।প্রকল্প অনুযায়ী, ডুপিটিলায় প্রায়
৩
হাজার
৪৫০
মিটার
এবং
কৈলাশটিলায় প্রায়
৩
হাজার
৬০০
মিটার
গভীরতায় অনুসন্ধান চালানোর কথা।
গ্যাস
পাওয়া
গেলে
দুই
কূপ
থেকে
প্রথম
পাঁচ
বছর
প্রতিদিন ২০
মিলিয়ন
ঘনফুট
এবং
পরের
পাঁচ
বছর
১২
মিলিয়ন
ঘনফুট
হারে
গ্যাস
উৎপাদনের লক্ষ্য
রয়েছে।
এতে
১০
বছরে
মোট
৫৬
বিসিএফ
গ্যাস
উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে।তবে শুরু
থেকেই
প্রকল্পটির বড়
বাধা
হয়ে
দাঁড়িয়েছে জমি।
ডিপিপিতে জমি
হুকুমদখলের বিধান
থাকলেও
জমির
মালিকদের আপত্তির পর
জেলা
প্রশাসন অধিগ্রহণের পক্ষে
মত
দেয়।
২০২৫
সালের
ডিসেম্বরে দুই
কূপের
জমি
অধিগ্রহণের সিদ্ধান্ত হলেও
সংশোধিত ডিপিপি
অনুমোদনের প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতা হয়।
প্রায়
নয়
মাস
পর,
২০২৬
সালের
১
সেপ্টেম্বর সংশোধিত প্রস্তাব পরিকল্পনা কমিশনে
পাঠানো
হয়।আইএমইডির আপত্তি
হলো,
জমি
অধিগ্রহণ এবং
সংশোধিত ডিপিপি
অনুমোদনের আগেই
কূপ
এলাকায়
পূর্তকাজ শুরু
করা
হয়েছে।
ডুপিটিলা-১
কূপের
৭৮৩
মিটার
সংযোগ
সড়কের
মধ্যে
সেতুসহ
২৩২
মিটার
নির্মাণ শেষ
হয়েছে।
বাকি
৫৫১
মিটারের কাজ
চলছে।
কূপ
এলাকায়
বালু
ভরাটও
হচ্ছে।
তবে
স্থানীয়দের বাধায়
কাজের
গতি
কমেছে।
অন্যদিকে কৈলাশটিলা-৯
কূপে
ভূমি
উন্নয়ন
বা
সংযোগ
সড়কের
কাজই
শুরু
হয়নি।এদিকে খননকাজের জন্য
৪৩৩
কোটি
৯১
লাখ
টাকার
চুক্তি
হয়েছে।
২০২৫
সালের
২৭
ফেব্রুয়ারি নির্বাচিত ঠিকাদারের সঙ্গে
চুক্তি
করা
হয়
এবং
৩০
সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে কাজ
শেষ
করার
কথা
ছিল।
কিন্তু
ভূমি
ও
অবকাঠামোগত প্রস্তুতি শেষ
না
হওয়ায়
মূল
খনন
কার্যক্রম এখনো
শুরু
হয়নি।
আইএমইডি প্রকল্পের অগ্রগতি বাড়াতে
নিয়মিত
স্টিয়ারিং কমিটি
ও
বাস্তবায়ন কমিটির
সভা,
মাসিক
অগ্রগতি প্রতিবেদন এবং
ভূমি
অধিগ্রহণের জটিলতা
দ্রুত
নিষ্পত্তির সুপারিশ করেছে।
দেশীয়
উৎস
থেকে
গ্যাস
উৎপাদন
বাড়ানোর লক্ষ্যে নেওয়া
প্রকল্পটি সফল
করতে
এখন
ভূমি,
নির্মাণকাজ ও
সংশোধিত ডিপিপির জটিলতা
কাটানোই বড়
চ্যালেঞ্জ।
কপিরাইট © ২০২৬ City News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত