বিএনপি আওয়ামী লীগের পথ অনুসরণ করছে, দাবি এনসিপির
হবিগঞ্জে জাতীয়
নাগরিক
পার্টির (এনসিপি)
জুলাই
পদযাত্রায় হামলায়
আহত
জাতীয়
ছাত্রশক্তির হবিগঞ্জ জেলা
শাখার
নেতা
আলিফ
চৌধুরীর চিকিৎসার সম্পূর্ণ ব্যয়ভার সরকারকে বহন
এবং
হামলার
ঘটনায়
জড়িতদের দ্রুত
গ্রেপ্তারের দাবি
জানিয়েছে এনসিপি।বৃহস্পতিবার বিকেলে
রাজধানীর জাতীয়
চক্ষু
বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও
হাসপাতালে (এনআইওএইচ) চিকিৎসাধীন আলিফ
চৌধুরীকে দেখতে
যাওয়ার
পর
আয়োজিত
সংবাদ
সম্মেলনে দলের
সদস্যসচিব আখতার
হোসেন
এ
দাবি
জানান।আখতার হোসেন
বলেন,
হামলায়
আলিফ
চৌধুরী
একটি
চোখ
হারিয়েছেন। অস্ত্রোপচারের পর
তিনি
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। চিকিৎসকদের বরাত
দিয়ে
তিনি
বলেন,
ক্ষতিগ্রস্ত চোখের
দৃষ্টিশক্তি আর
ফিরে
পাওয়ার
সম্ভাবনা নেই।
অন্য
চোখেও
তিনি
ঝাপসা
দেখছেন,
ফলে
সেটিও
ঝুঁকির
মধ্যে
রয়েছে
বলে
চিকিৎসকেরা আশঙ্কা
করছেন।তিনি বলেন,
শুধু
হবিগঞ্জেই নয়,
বৃহস্পতিবার সংবাদ
সম্মেলনের কিছুক্ষণ আগেই
সিলেটে
এনসিপির গাড়িবহরের ওপরও
হামলার
ঘটনা
ঘটেছে।
তাঁর
দাবি,
জুলাই
অভ্যুত্থানে নিহতদের কবর
জিয়ারত
ও
স্বজনদের সঙ্গে
সাক্ষাৎ শেষে
ফেরার
পথে
এ
হামলার
শিকার
হন
দলের
নেতারা।সংবাদ সম্মেলনে আখতার
হোসেন
অভিযোগ
করেন,
বুধবার
হবিগঞ্জে এনসিপির নেতাকর্মীদের ওপর
হামলার
সময়
বিরোধীদলীয় চিফ
হুইপ
এবং
উপস্থিত নারী
সংসদ
সদস্যরাও হেনস্তার শিকার
হয়েছেন। একই
সঙ্গে
হবিগঞ্জের ঘটনার
প্রতিবাদে কুড়িগ্রাম, দিনাজপুর, চট্টগ্রামসহ দেশের
বিভিন্ন স্থানে
আয়োজিত
বিক্ষোভ কর্মসূচিতে ছাত্রদল, যুবদল
ও
বিএনপির নেতাকর্মীরা হামলা
চালিয়েছেন বলেও
অভিযোগ
করেন
তিনি।দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে
উদ্বেগ
প্রকাশ
করে
এনসিপির সদস্যসচিব বলেন,
বিরোধী
রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর
হামলা,
মামলা
ও
নিপীড়নের মাধ্যমে একটি
অস্থির
রাজনৈতিক পরিবেশ
তৈরি
হয়েছে।
গণতান্ত্রিক চর্চা
নিশ্চিত করতে
এসব
কর্মকাণ্ড বন্ধ
হওয়া
প্রয়োজন।হবিগঞ্জের কর্মসূচির প্রসঙ্গ টেনে
তিনি
বলেন,
দলের
আহ্বায়ক নাহিদ
ইসলামের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত পদযাত্রা শান্তিপূর্ণ ছিল।
তবে
পুলিশ
ব্যারিকেড ও
ট্রাক
দিয়ে
সড়ক
বন্ধ
করে
কর্মসূচিতে বাধা
দিয়েছে
বলে
অভিযোগ
করেন
তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে সরকারের প্রতি
তিন
দফা
দাবি
জানায়
এনসিপি। দাবিগুলো হলো, আলিফ
চৌধুরীর চিকিৎসার সম্পূর্ণ ব্যয়ভার রাষ্ট্রকে বহন
করতে
হবে
এবং
তাঁকে
ও
তাঁর
পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দিতে
হবে;
হবিগঞ্জসহ বিভিন্ন স্থানে
হামলার
ঘটনায়
জড়িতদের গ্রেপ্তার করে
বিচারের আওতায়
আনতে
হবে;
এবং
এনসিপিসহ সব
গণতান্ত্রিক বিরোধী
রাজনৈতিক দলের
কর্মসূচি নির্বিঘ্নে পালনের
জন্য
প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে
হবে।