ডেমরা সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর সরকারি দায়িত্ব
পালন ও নামজারি কার্যক্রম
নিয়ে প্রকাশিত দুটি সংবাদ প্রতিবেদনের
প্রতিবাদ জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট এসিল্যান্ডের পক্ষ।প্রতিবাদে দাবি করা হয়েছে,
জাতীয় দৈনিক ও একটি অনলাইন
সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ‘আদালতের স্থগিতাদেশের মধ্যেই নামজারি, পরে আপিলে বাতিল আদেশ বাস্তবায়নে গড়িমসির অভিযোগ’ এবং
‘স্থগিতাদেশের পরও নামজারি! ডেমরা সাব-রেজিস্ট্রার রাকিবুল ইসলামের বিরুদ্ধে কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ’ শিরোনামের
প্রতিবেদন দুটি একপেশে ও
যথাযথ তথ্য যাচাই ছাড়া
প্রকাশ করা হয়েছে।সংশ্লিষ্ট এসিল্যান্ডের পক্ষ থেকে বলা
হয়েছে, দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি সরকারি
সম্পত্তি উদ্ধার, অবৈধ দখলমুক্তকরণ ও
রাষ্ট্রীয় স্বার্থ রক্ষায় বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। অভিযানের মাধ্যমে উদ্ধার করা সম্পত্তিতে সরকারি
সাইনবোর্ড স্থাপন করা হলেও পরে
তা রাতের আঁধারে সরিয়ে ফেলার ঘটনাও ঘটেছে।প্রতিবাদে আরও অভিযোগ করা
হয়, একটি স্বার্থান্বেষী মহল
সরকারি সম্পত্তি উদ্ধারের কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করতে বিভ্রান্তিকর তথ্য
ছড়াচ্ছে। একই সঙ্গে অপসাংবাদিকতার
মাধ্যমে চাপ সৃষ্টি ও
আর্থিক সুবিধা দাবির অভিযোগও করা হয়েছে।সংশ্লিষ্ট এসিল্যান্ড বলেন, ভালো কাজ করতে গেলে বাধা আসবেই। সব বাধা অতিক্রম করে রাষ্ট্র ও জনস্বার্থে কাজ করে যাব। প্রতিবাদে
গণমাধ্যমকে সরকারি নথি, আদালতের আদেশ
ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য যাচাই করে সংবাদ প্রকাশের
আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি অপপ্রচার ও চাঁদা দাবির
অভিযোগের বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে।