শূন্য পাস শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী
শূন্য পাস
করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন
ম এহছানুল হক মিলন। তিনি
বলেন, ২০০১ থেকে ২০০৬
সালের দিকে শূন্য পাস
করা স্কুলের সংখ্যা বর্তমানের তুলনায় তিন-চার গুণ
বেশি ছিল। পরে তা
ধারাবাহিকভাবে কমেছে।সোমবার সকাল
১০টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার
ফলাফল ঘোষণা উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন।ড. আ
ন ম এহছানুল হক
মিলন বলেন, শূন্য পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের
বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অভিজ্ঞতা সরকারের রয়েছে। সেই অভিজ্ঞতার আলোকে
এবারও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।এবার এসএসসি
ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার আগের বছরের
তুলনায় প্রায় ৬ শতাংশ কমেছে।
একই সঙ্গে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর
সংখ্যাও ২২ হাজার ৩৫৬
জন কমেছে।তবে ফলাফল
নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন,
পরীক্ষার্থীদের যথাযথ নম্বর দেওয়া হয়েছে। তাঁর মতে, এবারের
ফলাফল সুন্দর হয়েছে।তিনি বলেন,
‘আগে কী হয়েছে, সেটা
বলতে চাই না। এবার
পরীক্ষার্থীরা যে নম্বর পেয়েছে,
তাকে সেটাই দেওয়া হয়েছে।’শিক্ষামন্ত্রী জানান,
এবার শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সুযোগ
রাখা হয়েছে। প্রত্যেক শিক্ষার্থী খাতা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন
করতে পারবে। রিভিউ কমিটির সামনে খাতা আবার পরীক্ষা
করা হবে। কোনো ভুল
পাওয়া গেলে বা শিক্ষার্থী
প্রাপ্য নম্বর না পেলে তা
সংশোধন করা হবে।ফলাফল খারাপ
হওয়ার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘এবারের ফলকে খারাপ বলছেন
কেন, সুন্দর রেজাল্ট হয়েছে। মন খুলে তো
নম্বর দেওয়া যায় না।’তিনি বলেন,
শিক্ষার্থীরা যতটুকু পড়াশোনা করেছে, সেই অনুযায়ী নম্বর
পেলে তিনি সন্তুষ্ট। পড়াশোনা
না করলে নম্বর বাড়িয়ে
দেওয়ার পক্ষে তিনি নন।বেড়েছে
শূন্য পাস শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানএবার শূন্য
পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে।
৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের ৫৭টি প্রতিষ্ঠানের কোনো
শিক্ষার্থী পাস করেনি। গত
বছর এ সংখ্যা ছিল
৪৮।মাদ্রাসা শিক্ষা
বোর্ডে শূন্য পাস করা প্রতিষ্ঠানের
সংখ্যা ৮৬ থেকে বেড়ে
২২৬ হয়েছে। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে এবার ২৯টি প্রতিষ্ঠানে
কোনো শিক্ষার্থী পাস করেনি। গত
বছর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সব প্রতিষ্ঠান থেকেই
শিক্ষার্থীরা পাস করেছিল।আন্তঃশিক্ষা বোর্ড
সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা
বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বলেন,
বরাবরের মতো এবারও ইংরেজি,
গণিত ও বাংলায় ফেল
করার হার বেশি হওয়ায়
সামগ্রিক পাসের হার কমেছে।ফলাফল ঘোষণার
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন, শিক্ষাসচিব আবদুল খালেক, সব শিক্ষা বোর্ডের
চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
১০ আগস্ট ২০২৬, ০১:২২ পিএম