ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩
City News
সর্বশেষ
সম্পত্তির লোভে বড় বোনকে হত্যার অভিযোগ, ছোট ভাইসহ গ্রেপ্তার ৫

সম্পত্তির লোভে বড় বোনকে হত্যার অভিযোগ, ছোট ভাইসহ গ্রেপ্তার ৫

নওগাঁর ধামইরহাটে সম্পত্তি ও স্বর্ণালংকারের লোভে ৭০ বছর বয়সী বড় বোন হালিমা বেগমকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় করা মামলার তদন্তে রহস্য উদ্‌ঘাটনের কথা জানিয়েছে পুলিশ। নিহতের ছোট ভাই ও তাঁর স্ত্রীসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রশি ও ওড়না উদ্ধার করা হয়েছে।গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন নিহতের ছোট ভাই মজনু রহমান (৫৬), তাঁর স্ত্রী হোসনে আরা (৪২), বস্তাবর গ্রামের রবিউল ইসলাম (৩৯) এবং ছিলিমপুর গ্রামের হামিদুর রহমান (৫৫) ও মোশারফ হোসেন (৪৫)।ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিন্টু রহমান জানান, হত্যাকাণ্ডের প্রায় পাঁচ দিন আগে পরিকল্পনা করা হয়। পরিকল্পনা অনুযায়ী, গত ১৮ অক্টোবর রাত সাড়ে ১১টার দিকে হামিদুর রহমান হালিমা বেগমকে ঘর থেকে ডেকে বের করেন। পরে অন্যরা মিলে তাঁর মুখ চেপে ধরে টেনেহিঁচড়ে বাড়ি থেকে দূরে একটি খড়ের পালার পেছনে নিয়ে যান। সেখানে রশি দিয়ে হাত বেঁধে পরনের ওড়না দিয়ে শ্বাসরোধ করে তাঁকে হত্যা করা হয়।পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, হত্যার পর হালিমা বেগমের কানের দুল খুলে নেওয়া হয়। পরে কয়েকজন মিলে তাঁর মরদেহ সরিয়ে ধানখেতের আইলে একটি বাঁশঝাড়ের নিচে ফেলে রাখেন। যাওয়ার আগে মরদেহের চোখ ও মুখ ওড়না দিয়ে ঢেকে দেন তাঁরা। পরদিন সকালে মরদেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।ওসি আরও জানান, ১৯ অক্টোবর নিহতের বোন মনোয়ারা বেগমের করা এজাহারের ভিত্তিতে থানায় হত্যা মামলা হয়। এরপর নওগাঁর পুলিশ সুপারের তত্ত্বাবধানে পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে ওই রাতেই পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে। বুধবার দুপুরে তাঁদের আদালতের মাধ্যমে নওগাঁ জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।পুলিশ জানায়, হালিমা বেগম নিঃসন্তান ও স্বামী পরিত্যক্ত ছিলেন। প্রায় ২০ বছর ধরে বাবার বাড়িতে ছোট ভাই মজনুর বাড়ির পেছনে টিনের ছাপড়ার একটি ছোট ঘরে বসবাস করতেন তিনি। গরু-ছাগল ও হাঁস-মুরগি পালন এবং অন্যের বাড়িতে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন।নিজের জমানো টাকা তিনি বড় ভাইয়ের ছেলে রুবেলের কাছে রাখতেন। এ নিয়ে ছোট ভাই মজনু ও তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে মাঝেমধ্যে বিরোধ হতো বলে তদন্তে উঠে এসেছে। এ ছাড়া হালিমা বেগমের কানে থাকা স্বর্ণের দুল ও নাকের নথের প্রতি আসামিদের লোভ ছিল বলে পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে।
২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১২ পিএম

চর উজিলাব ইউপি নির্বাচন: জনপ্রিয় চেয়াম্যান প্রার্থী জাকির হোসেন

চর উজিলাব ইউপি নির্বাচন: জনপ্রিয় চেয়াম্যান প্রার্থী জাকির হোসেন

নারায়ণপুরের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে জনপ্রিয় মুখ হাজি মো. বিপ্লব ভূঁইয়া

নারায়ণপুরের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে জনপ্রিয় মুখ হাজি মো. বিপ্লব ভূঁইয়া

জনপ্রিয়তায় এগিয়ে এমাদ মিয়া, বাজনাব ইউনিয়নে বইছে নির্বাচনী হাওয়া

জনপ্রিয়তায় এগিয়ে এমাদ মিয়া, বাজনাব ইউনিয়নে বইছে নির্বাচনী হাওয়া

নরসিংদীর বেলাব উপজেলার গাংকুল পাড়ার ফুটবল ফাইনালে জয়ী দক্ষিণ একাদশ

নরসিংদীর বেলাব উপজেলার গাংকুল পাড়ার ফুটবল ফাইনালে জয়ী দক্ষিণ একাদশ

রাজধানীর দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে কিশোর গ্যাং ও অপরাধ সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যের মুল হোতা সুজন

রাজধানীর দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে কিশোর গ্যাং ও অপরাধ সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যের মুল হোতা সুজন

আগরতলায় ভারত-বাংলাদেশ গণমাধ্যম সম্পর্ক নিয়ে আন্তর্জাতিক বৈঠক

আগরতলায় ভারত-বাংলাদেশ গণমাধ্যম সম্পর্ক নিয়ে আন্তর্জাতিক বৈঠক

বেলাব সদর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে জনপ্রিয় আতাউর রহমান বাচ্চু

বেলাব সদর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে জনপ্রিয় আতাউর রহমান বাচ্চু

জামায়াতের সিদ্ধান্ত বহিষ্কৃত গাজী নজরুল ইসলাম

জামায়াতের সিদ্ধান্ত বহিষ্কৃত গাজী নজরুল ইসলাম

অবহেলায় ক্ষয়ে যাচ্ছে চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক পি কে সেন ভবন

অবহেলায় ক্ষয়ে যাচ্ছে চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক পি কে সেন ভবন

জলবায়ু মোকাবিলায় নতুন ধানের জাত উদ্ভাবনে জোর দিচ্ছে সরকার: কৃষিমন্ত্রী

জলবায়ু মোকাবিলায় নতুন ধানের জাত উদ্ভাবনে জোর দিচ্ছে সরকার: কৃষিমন্ত্রী

সম্পত্তির লোভে বড় বোনকে হত্যার অভিযোগ, ছোট ভাইসহ গ্রেপ্তার ৫

সম্পত্তির লোভে বড় বোনকে হত্যার অভিযোগ, ছোট ভাইসহ গ্রেপ্তার ৫

ডেঙ্গুতে আরও ৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৩৭৩

ডেঙ্গুতে আরও ৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৩৭৩

একই আঙিনায় মসজিদ-মন্দির, শত বছর ধরে সম্প্রীতির বন্ধন

একই আঙিনায় মসজিদ-মন্দির, শত বছর ধরে সম্প্রীতির বন্ধন

পদোন্নতি, নিয়োগ ও সম্পদ নিয়ে অভিযোগের মুখে সাবেক সচিব

পদোন্নতি, নিয়োগ ও সম্পদ নিয়ে অভিযোগের মুখে সাবেক সচিব

প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে পদত্যাগের ঘোষণা দিলেন ইশরাক

প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে পদত্যাগের ঘোষণা দিলেন ইশরাক

ইরান-পাকিস্তান সীমান্তে চলাচল ও বাণিজ্য সাময়িক বন্ধ

ইরান-পাকিস্তান সীমান্তে চলাচল ও বাণিজ্য সাময়িক বন্ধ

সংরক্ষিত নারী আসনের উপনির্বাচন: বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিলেন ৭০ নেত্রী

সংরক্ষিত নারী আসনের উপনির্বাচন: বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিলেন ৭০ নেত্রী

মার্কিন রণতরিকে আরও দূরে সরতে বাধ্য করার পরিকল্পনা আছে ইরানের

মার্কিন রণতরিকে আরও দূরে সরতে বাধ্য করার পরিকল্পনা আছে ইরানের

শাল্লায় ফ্যামিলি কার্ডের শুমারিতে বিতর্কিতদের নিয়োগ বাতিল, নতুন নিয়োগ

শাল্লায় ফ্যামিলি কার্ডের শুমারিতে বিতর্কিতদের নিয়োগ বাতিল, নতুন নিয়োগ

শাহজালাল বিমানবন্দরে ৫ দিনে ১০৩ ফ্লাইট বাতিল, আটকা ১৫ হাজারের বেশি যাত্রী

শাহজালাল বিমানবন্দরে ৫ দিনে ১০৩ ফ্লাইট বাতিল, আটকা ১৫ হাজারের বেশি যাত্রী



একই আঙিনায় মসজিদ-মন্দির, শত বছর ধরে সম্প্রীতির বন্ধন

একই আঙিনায় পাশাপাশি মসজিদ ও মন্দির। একদিকে আজানের ধ্বনি, অন্যদিকে পূজার ঢাক-ঢোল। আজান শুরু হলে বন্ধ হয়ে যায় মন্দিরের বাদ্যযন্ত্র। নামাজ শেষ হলে আবারও ঢাকের শব্দে মুখর হয়ে ওঠে দুর্গামণ্ডপ। এভাবেই দীর্ঘদিন ধরে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহযোগিতার মধ্য দিয়ে ধর্মীয় আচার পালন করে আসছেন রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার ভগবন্তপুর হাট এলাকার হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ।স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, প্রায় এক শতাব্দী ধরে একই আঙিনায় পাশাপাশি ধর্মীয় কার্যক্রম পরিচালিত হলেও দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে এ নিয়ে কখনো বিরোধ বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়নি। নিজ নিজ ধর্ম পালনের পাশাপাশি তাঁরা একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে সম্প্রীতির দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।সম্প্রতি ভগবন্তপুর হাট ইনসান বাইতুস শরিফ জামে মসজিদ ও ভগবন্তপুর হাট সার্বজনীন গোদাগাড়ী কেন্দ্রীয় মন্দির ঘুরে দেখা যায়, শারদীয় দুর্গোৎসবকে ঘিরে সেখানে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। মসজিদ ও মন্দিরের দূরত্ব মাত্র পাঁচ মিটার। দুই ধর্মের মানুষ নিজ নিজ ধর্মীয় রীতি মেনে চলছেন। আজানের সময় মন্দিরের ঢাক-ঢোল ও পূজার বাদ্যযন্ত্র বন্ধ রাখা হচ্ছে। নামাজ শেষ হলে আবার শুরু হচ্ছে পূজার আনুষ্ঠানিকতা।মাটির দেয়াল ও খড়ের ছাউনি দিয়ে মসজিদ নির্মাণভগবন্তপুর হাট এলাকার ৮০ বছর বয়সী মইজুদ্দীন আহম্মেদ বলেন, স্থানীয় ইনসান জমিদার ১৯৬৬ সালে মন্দিরের পাশে মাটির দেয়াল ও খড়ের ছাউনি দিয়ে মসজিদটি নির্মাণ করেন। পাশাপাশি দুই উপাসনালয় থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে সবাই শৃঙ্খলার সঙ্গে নিজ নিজ ধর্ম পালন করছেন।মইজুদ্দীন আহম্মেদের ভাষ্য, তাঁদের এলাকায় কখনো সাম্প্রদায়িক বিভেদ বা বিশৃঙ্খলা দেখা যায়নি। পারস্পরিক সহযোগিতা ও সম্প্রীতির পরিবেশ সব সময় বজায় রয়েছে।গোদাগাড়ী কেন্দ্রীয় মন্দিরের সভাপতি শ্রী শান্ত কুমার মজুমদার বলেন, মন্দিরটির বয়স শত বছরেরও বেশি। তাঁর দাদা আদ্যনাথ মজুমদার ব্রিটিশ আমলে মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করেন।তিনি বলেন, তাঁরা নির্ধারিত সময়ে পূজা করেন, আর মুসলমানেরা তাঁদের সময়ে নামাজ আদায় করেন। দুই সম্প্রদায়ের মানুষ মিলেমিশে বসবাস করছেন।আজানের সময় বন্ধ থাকে বাদ্যযন্ত্রইনসান বাইতুস শরিফ জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মো. শাহালাল বলেন, মসজিদের পাশেই ঐতিহ্যবাহী মন্দিরটি অবস্থিত। মন্দিরটি মসজিদের আগেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এখানে জাতি-ধর্মনির্বিশেষে সবাই নিজ নিজ ধর্ম পালন করেন।তিনি বলেন, আজান ও নামাজের সময় মন্দিরের লোকজন ঢাক-ঢোল বন্ধ রাখেন। পাশাপাশি দুটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান থাকা সত্ত্বেও তাঁদের মধ্যে কোনো সমস্যা হয় না।স্থানীয় বাসিন্দা অধীর চন্দ্র বলেন, প্রশাসনের পাশাপাশি এলাকার মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষও তাঁদের সহযোগিতা করেন। আজান ও নামাজের সময় তাঁরা বাদ্যযন্ত্র বন্ধ রাখেন। দুই সম্প্রদায়ের মানুষ ভাইয়ের মতো মিলেমিশে বসবাস করছেন।তবে শতবর্ষী মন্দিরটির উন্নয়নে সরকারিভাবে উদ্যোগ নেওয়া হলে উপকার হবে বলে মনে করেন স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।মন্দিরের পুরোহিত পলাশ প্রতিম মজুমদার বলেন, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের যে চিত্র তুলে ধরা হয়, এই এলাকায় তার বাস্তব প্রতিফলন দেখা যায়।সম্প্রীতির ঐতিহ্য ধরে রাখার প্রত্যয়গোদাগাড়ী পৌরসভার সাবেক মেয়র আনোয়ারুল চৌধুরী বলেন, পাশাপাশি অবস্থিত মসজিদ ও মন্দিরে দুই সম্প্রদায়ের মানুষ নির্বিঘ্নে ধর্মীয় আচার পালন করেন। এ পর্যন্ত তাঁদের মধ্যে কোনো ঝগড়া-বিভেদের ঘটনা ঘটেনি। বরং একে অপরকে সহযোগিতা করে আসছেন তাঁরা।দীর্ঘদিন ধরে পূর্বপুরুষদের রেখে যাওয়া এই সম্প্রীতির ঐতিহ্য ধরে রাখতে পারায় গর্ব প্রকাশ করেন তিনি।গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইসরাত জাহান বলেন, পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে দুই সম্প্রদায়ের মানুষ নিজ নিজ ধর্ম পালন করছেন। তাঁদের পারস্পরিক সম্পর্ক সম্প্রীতি ও বন্ধুত্বের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।এবারের দুর্গাপূজা উপলক্ষে উপজেলার ৪২টি মন্দিরের পূজামণ্ডপে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

একই আঙিনায় মসজিদ-মন্দির, শত বছর ধরে সম্প্রীতির বন্ধন
১৭ মে ২০২৬, ০৪:৩০ পিএম
অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলে কর আরোপের পরিকল্পনা করছে সরকার। এই সিদ্ধান্ত যৌক্তিক বলে মনে করেন?

অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলে কর আরোপের পরিকল্পনা করছে সরকার। এই সিদ্ধান্ত যৌক্তিক বলে মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ১ জন