শাল্লায় ফ্যামিলি কার্ডের শুমারিতে বিতর্কিতদের নিয়োগ বাতিল, নতুন নিয়োগ
সুনামগঞ্জের
শাল্লা উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির তথ্য সংগ্রহকারী ও
সুপারভাইজার পদে নিয়োগ পাওয়া
বিতর্কিত ব্যক্তিদের নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে। নিয়োগপ্রক্রিয়ায়
অনিয়মের অভিযোগ তুলে আমার দেশ
পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ
এ সিদ্ধান্ত নেয়। তাঁদের পরিবর্তে
নতুন করে ছয়জনকে নিয়োগ
দেওয়া হয়েছে।এর
আগে গত ১৪ আগস্ট
‘শাল্লায় ফ্যামিলি কার্ড শুমারিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের নিয়োগ’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করে আমার দেশ।
প্রতিবেদনে নিয়োগপ্রাপ্ত কয়েকজনের বিরুদ্ধে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ, বিতর্কিত কর্মকাণ্ড এবং দায়িত্ব পালনের
যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্নের বিষয়টি
তুলে ধরা হয়।প্রতিবেদন
প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ
নিয়োগ বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয় বলে জানা
গেছে।ফ্যামিলি
কার্ডের মতো গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক
সুরক্ষা কর্মসূচিতে তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগের
ক্ষেত্রে প্রার্থীদের যোগ্যতা, দক্ষতা ও নিরপেক্ষতা যাচাই
করা জরুরি বলে মনে করছেন
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। তাঁদের মতে, তথ্য সংগ্রহে
ভুল, পক্ষপাতিত্ব কিংবা অনিয়ম হলে প্রকৃত সুবিধাভোগীরা
সরকারি সহায়তা থেকে বঞ্চিত হতে
পারেন।নতুন
নিয়োগ অনুযায়ী, তথ্য সংগ্রহকারী পদে
মাসুকুল ইসলামের পরিবর্তে মাসুম বিল্লাহ, সৌরভ সমাজপতির পরিবর্তে
সোবেল আহমেদ, তুহিন মিয়ার পরিবর্তে হাজিরুল ইসলাম, জুয়েল দাশের পরিবর্তে বন্যা রানী সরকার এবং
পাম্পী সরকারের পরিবর্তে রেমী রানী সরকার
জুইকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।এ
ছাড়া সুপারভাইজার সুজন আহমেদ প্রবাসে
চলে যাওয়ায় তাঁর পরিবর্তে আশিকুর
রহমান আশিককে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।এ
বিষয়ে ফ্যামিলি কার্ড স্বেচ্ছাসেবী তথ্য সংগ্রহ কমিটির
সদস্যসচিব ও উপজেলা সমাজসেবা
কর্মকর্তা বিশ্বপতি চক্রবর্তী বলেন, যাদের অযোগ্য বা অদক্ষ বলে
মনে হয়েছে, তাদের নিয়োগ বাতিল করে যোগ্য ব্যক্তিদের
নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।তিনি
জানান, শাল্লা ইউনিয়নের ১, ৩ ও
৭ নম্বর ওয়ার্ডে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির কার্যক্রম শুরু হয়েছে। পাশাপাশি
বাহাড়া ও হবিবপুর ইউনিয়নেও
কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
বিশ্বপতি
চক্রবর্তী আরও বলেন, ফ্যামিলি
কার্ডের তথ্য সংগ্রহে কোনো
ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতি সহ্য
করা হবে না। নীতিমালা
অনুসরণ করে প্রকৃত উপকারভোগীদের
এই কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।