ঢাকা    মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩
City News

সাত বছরেও শেষ হয়নি হবিগঞ্জের মডেল মসজিদের কাজ

বাহুবল উপজেলা সদরে প্রায় সাড়ে ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ও মডেল মসজিদের কাজ সাত বছরেও শেষ হয়নি। ২০১৯ সালের জুনে কার্যাদেশ দেওয়া হলেও এখনো প্রকল্পটি হস্তান্তর করা যায়নি। কয়েক দফা কাজের গতি কমে যাওয়া ও বন্ধ থাকার পর ২০২৪ সালে আবার নির্মাণকাজ শুরু হলেও নির্ধারিত সময়ে শেষ হওয়া নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।হবিগঞ্জ গণপূর্ত অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, প্রকল্পটির কাজ ১৮ মাসের মধ্যে শেষ করে হস্তান্তরের কথা ছিল। সে অনুযায়ী ২০১৯ সালের জুনে মেসার্স মঈনউদ্দিন এন্টারপ্রাইজকে কার্যাদেশ দেওয়া হয়। প্রতিষ্ঠানটি কাজ শুরু করলেও নির্ধারিত সময়ে তা শেষ করতে পারেনি।সূত্র বলছে, ২০২৪ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান প্রকল্পের মাত্র ১০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন করতে পেরেছিল। এরপর কাজ বন্ধ করে প্রতিষ্ঠানটি চলে যায়। পরবর্তীতে রি-টেন্ডারের মাধ্যমে অন্য একটি প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে নির্মাণকাজ শুরু করা হয়।প্রকল্পের শুরু থেকেই নির্মাণকাজের গুণগত মান ও নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। প্রথম দফার কাজ করা মেসার্স মঈনউদ্দিন এন্টারপ্রাইজের মালিক ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একজন আওয়ামী লীগ নেতা বলে স্থানীয়ভাবে জানা গেছে।জেলার অন্যান্য উপজেলায় নির্মাণাধীন মডেল মসজিদগুলোর অনেকগুলোর কাজ এরই মধ্যে শেষ হয়েছে। কোথাও কোথাও মুসল্লিরা নিয়মিত নামাজও আদায় করছেন। এর বিপরীতে বাহুবলের মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের নির্মাণকাজ দীর্ঘ সময় ধরে ঝুলে আছে।নতুন করে কাজ শুরু হলেও সেটির অগ্রগতি নিয়ে রয়েছে প্রশ্ন। ২০২৭ সালের মধ্যে প্রকল্পটি হস্তান্তরের কথা বলা হচ্ছে। তবে বর্তমান কাজের গতি দেখে নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।নির্মাণকাজের মান নিয়ে অভিযোগের বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের হেমায়েত হোসেন বলেন, তাঁরা দুজন যৌথভাবে প্রকল্পটির কাজ পরিচালনা করছেন। তাঁর দাবি, নির্মাণকাজে গুণগত মান বজায় রেখেই কাজ করা হচ্ছে।প্রকল্পের কাজ দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা, অগ্রগতি, নির্মাণসামগ্রীর মান এবং তদারকি নিয়ে জানতে চাইলে হবিগঞ্জ গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী হাবিব উল্লাহ কাজের গতি কিছুটা ধীর বলে স্বীকার করেন।তিনি বলেন, কিছুদিন কাজ বন্ধ থাকার পর ২০২৪ সালে আবার কাজ শুরু হয়েছে। ২০২৭ সালের মার্চে প্রকল্পটি হস্তান্তরের কথা রয়েছে।এর আগে কেন কাজ বন্ধ ছিল এবং বর্তমানে কাজ যথাযথভাবে তদারকি করা হচ্ছে কি না এ বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন, ‘আমি এখানে এসেছি তিন-চার মাস। বিস্তারিত না জেনে বলা সম্ভব না।

সাত বছরেও শেষ হয়নি হবিগঞ্জের মডেল মসজিদের কাজ