সিলেটের গোলাপগঞ্জে এনসিপির গাড়িবহরে হামলার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের শেখ বদরুল
সিলেটের গোলাপগঞ্জে জাতীয়
নাগরিক
পার্টির (এনসিপি)
‘জুলাই
পদযাত্রা’ কর্মসূচিতে অংশ
নিতে
যাওয়া
কেন্দ্রীয় নেতাদের গাড়িবহরে হামলা
ও
ভাঙচুরের ঘটনায়
শেখ
বদরুল
হকের
বিরুদ্ধে হামলায় উসকানি
ও
নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগ
উঠেছে।
অভিযোগ
রয়েছে,
তিনি
একসময়
আওয়ামী লীগের
রাজনীতির সঙ্গে
যুক্ত
ছিলেন
এবং
বর্তমানে সিলেট
জেলা
বিএনপির সাধারণ
সম্পাদক ও
সিলেট-৬ (গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজার) আসনের
সংসদ
সদস্য
এমরান
আহমদ
চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ
হিসেবে
পরিচিত।স্থানীয় সূত্র
জানায়,
শেখ
বদরুল
হক
ইউনাইটেড আরব
আমিরাত
যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম
সম্পাদক। পাশাপাশি তিনি
গোলাপগঞ্জ পৌর
বিএনপির সভাপতি
মশিকুর
রহমান
মহির
ঘনিষ্ঠ
বলেও
পরিচিত।বৃহস্পতিবার গোলাপগঞ্জ পৌরসভা
অডিটোরিয়ামে জুলাই
অভ্যুত্থানে শহীদ
পরিবারের সদস্যদের নিয়ে
আয়োজিত আলোচনা
সভা
শেষে
এনসিপির নেতারা
বের
হলে
তাদের
গাড়িবহরে হামলা
ও
ভাঙচুরের ঘটনা
ঘটে।ঘটনার সময়
ধারণ
করা
একটি
ভিডিও
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে শেখ
বদরুল
হকের
পাশে
গোলাপগঞ্জ পৌর
বিএনপির সভাপতি
মশিকুর
রহমান
মহিকে
দেখা
গেছে
বলে
দাবি
করা
হচ্ছে।স্থানীয়দের একটি
অংশের
দাবি,
শেখ
বদরুল
হক
একসময়
বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় থাকলেও
পরে
আওয়ামী লীগে
যোগ
দেন
এবং
বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করেন।
২০২৪
সালের
৫
আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর
তিনি
আবার
বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় হন
বলেও
অভিযোগ
রয়েছে। তবে
এসব
অভিযোগের বিষয়ে
স্বাধীনভাবে যাচাই
করা
সম্ভব
হয়নি।স্থানীয় সূত্র
আরও
দাবি
করেছে,
গোলাপগঞ্জের বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ডেও শেখ
বদরুল
হকের
সম্পৃক্ততার অভিযোগ
রয়েছে। তবে
এ
বিষয়ে
তাঁর
কোনো
বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া
যায়নি।হামলার সময়
গোলাপগঞ্জ পৌর
যুবদলের যুগ্ম
আহ্বায়ক বাদল
আহমদকেও আক্রমণাত্মক ভূমিকায় দেখা
গেছে
বলে
অভিযোগ
উঠেছে।ঘটনার ভিডিও
ও
স্থিরচিত্র বিশ্লেষণ করে
স্থানীয়রা যাদের
শনাক্ত
করেছেন
বলে
দাবি
করছেন,
তাঁদের
মধ্যে
রয়েছেন গোলাপগঞ্জ পৌর
ছাত্রদলের ফয়েজ
আহমেদ,
তানিম
ও
নাহিদ
এবং
ফুলবাড়ী ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের
সানাই।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির কয়েকজন কর্মী-সমর্থক অভিযোগ করেন,
স্থানীয় সংসদ
সদস্যের সঙ্গে
ঘনিষ্ঠ
সম্পর্কের কারণে
শেখ
বদরুল
হক
দলীয়
অবস্থান আরও
শক্তিশালী করার
উদ্দেশ্যে হামলার
ঘটনায়
নেতৃত্ব দিয়েছেন।
তবে এসব
অভিযোগের বিষয়ে
শেখ
বদরুল
হক,
মশিকুর
রহমান
মহি
বা
অভিযুক্ত অন্য
ব্যক্তিদের কোনো
বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া
যায়নি। একই
সঙ্গে
এ
ঘটনায়
এখন
পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ
থেকেও
কাউকে
গ্রেপ্তার বা
অভিযোগের সত্যতা
নিয়ে
আনুষ্ঠানিক কোনো
বক্তব্য দেওয়া
হয়নি।