১০ হাজার টাকার পাওনা চাইতে গিয়ে প্রাণ গেল সবজি বিক্রেতার, দম্পতি গ্রেপ্তার
মাত্র ১০
হাজার
টাকার
পাওনা
আদায়
করতে
গিয়ে
প্রাণ
হারিয়েছেন রাজধানীর এক
সবজি
বিক্রেতা। ঢাকার
হাতিরঝিল থানার
বড়
মগবাজার এলাকায়
একটি
বাসায়
ডেকে
নিয়ে
তাকে
ছুরিকাঘাতে হত্যার
অভিযোগ
উঠেছে।
এ
ঘটনায়
ব্যবসায়ী বজলুর
রহমান
ও
তাঁর
স্ত্রী
সাথী
আক্তারকে গ্রেপ্তার করেছে
পুলিশ।বৃহস্পতিবার (৩০
জুলাই)
হাতিরঝিল থানা
পুলিশ
ও
নিহতের
পরিবারের সদস্যরা এ
তথ্য
জানিয়েছেন।পুলিশ ও
স্বজনদের ভাষ্য
অনুযায়ী, নিহত
মো.
রাজু
(৪৮)
বরিশালের কাঁঠালিয়া উপজেলার বাসিন্দা লোকমান
হাওলাদারের ছেলে।
দীর্ঘদিন ধরে
রাজধানীতে সবজি
বিক্রি
করতেন
তিনি।
একসময়
বড়
মগবাজার এলাকায়
ব্যবসার সূত্রে
বজলুর
রহমানের সঙ্গে
তাঁর
পরিচয়
হয়।
সেই
সময়ের
ব্যবসায়িক লেনদেনের কারণে
বজলুরের কাছে
রাজুর
১০
হাজার
টাকা
পাওনা
ছিল।
দীর্ঘদিন ধরে
ওই
টাকা
ফেরত
চেয়ে
আসছিলেন তিনি।পরিবারের অভিযোগ,
গত
মঙ্গলবার (২৮
জুলাই)
রাতে
পাওনা
টাকা
পরিশোধের কথা
বলে
রাজুকে
বড়
মগবাজারের একটি
বাসায়
ডেকে
নেন
বজলুর
রহমান।
সেখানে
কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে রাজুকে
ছুরিকাঘাত করা
হয়।
গুরুতর
আহত
অবস্থায় অভিযুক্তরা প্রথমে
তাঁকে
স্থানীয় একটি
হাসপাতালে এবং
পরে
রাত
১০টা
৫০
মিনিটের দিকে
ঢাকা
মেডিকেল কলেজ
হাসপাতালে নিয়ে
যান।
সেখানে
চিকিৎসক তাঁকে
মৃত
ঘোষণা
করেন।হাতিরঝিল থানার
উপপরিদর্শক (এসআই)
মো.
মোন্তারছির বিল্লাহ বলেন,
ঘটনাটি
হত্যা
হিসেবে
তদন্ত
করা
হচ্ছে।
বুধবার
(২৯
জুলাই)
রাতে
থানায়
হত্যা
মামলা
দায়েরের পর
অভিযান
চালিয়ে
এজাহারভুক্ত আসামি
বজলুর
রহমান
ও
তাঁর
স্ত্রী
সাথী
আক্তারকে গ্রেপ্তার করা
হয়েছে।
তাদের
জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে হত্যার
প্রকৃত
কারণ
এবং
এ
ঘটনায়
অন্য
কেউ
জড়িত
কি
না,
তা
খতিয়ে
দেখা
হচ্ছে।বৃহস্পতিবার ঢাকা
মেডিকেল কলেজ
হাসপাতালের মর্গে
ময়নাতদন্ত শেষে
রাজুর
মরদেহ
পরিবারের কাছে
হস্তান্তর করা
হয়।
পরে
তাঁর
বোন
শাহানা
বেগম
মরদেহ
নিয়ে
বরিশালের কাঁঠালিয়া উপজেলার গ্রামের বাড়ির
উদ্দেশে রওনা
হন।শাহানা বেগম
বলেন,
তাঁর
ভাই
দীর্ঘদিন ধরে
পাওনা
টাকার
জন্য
ঘুরছিলেন। টাকা
দেওয়ার
কথা
বলে
তাঁকে
বাসায়
ডেকে
নেওয়া
হয়।
পরে
জানতে
পারেন,
সেখানেই তাঁকে
হত্যা
করা
হয়েছে।
এ
ঘটনার
সুষ্ঠু
বিচার
দাবি
করেন
তিনি।
স্বজনদের ভাষ্য,
রাজু
এক
ছেলে
ও
এক
মেয়ের
বাবা।
প্রায়
সাত
থেকে
আট
বছর
আগে
তাঁর
স্ত্রী
মারা
যান।
এরপর
সন্তানদের লালন-পালনের দায়িত্ব কাঁধে
নিয়ে
সবজি
বিক্রি
করে
জীবিকা
নির্বাহ করছিলেন। তাঁর
আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবারটি আর্থিক
ও
সামাজিক অনিশ্চয়তার মুখে
পড়েছে।