দেশের একমাত্র দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগে এবার নজিরবিহীন আগ্রহ দেখা গেছে। সার্চ কমিটির কাছে তিন শতাধিক আবেদন জমা পড়েছে। আবেদনকারীদের মধ্যে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি, সাবেক সচিব, সামরিক ও পুলিশ কর্মকর্তা, আইনজীবী, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং প্রশাসনের অভিজ্ঞ কর্মকর্তারা রয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র
জানায়,
আবেদনপত্র যাচাই-বাছাই চলছে। এর
মধ্যেই
কয়েকজন
অবসরপ্রাপ্ত বিচারক
ও
সাবেক
আমলার
সচিবালয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে যোগাযোগের খবরও
পাওয়া
গেছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি
সূত্র
জানিয়েছে, কয়েকজন
অবসরপ্রাপ্ত বিচারক
ও
সাবেক
সচিব
মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলেন।
নতুন চেয়ারম্যান ও
কমিশনার নিয়োগ
না
হওয়ায়
গত
চার
মাস
ধরে
দুদকের
মামলা
দায়ের,
চার্জশিট দাখিল,
সম্পত্তি জব্দ
এবং
বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞাসহ গুরুত্বপূর্ণ আইনি
কার্যক্রম কার্যত
স্থবির
রয়েছে।
গত
২
জুলাই
আবেদন
আহ্বান
করা
হয়,
যা
শেষ
হয়
১৩
জুলাই।
সার্চ কমিটি
আবেদনকারীদের পেশাগত
অভিজ্ঞতা, সততা,
প্রশাসনিক দক্ষতা,
জনগ্রহণযোগ্যতা ও
নৈতিক
অবস্থান যাচাই
করে
রাষ্ট্রপতির কাছে
সংক্ষিপ্ত তালিকা
পাঠাবে। ওই
তালিকা
থেকেই
আইন
অনুযায়ী চেয়ারম্যান ও
কমিশনার নিয়োগ
দেওয়া
হবে।
সাবেক সচিব
ও
জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞ এ
কে
এম
আবদুল
আউয়াল
মজুমদার বলেন,
দুদকের
মতো
প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ
পদে
নিয়োগের জন্য
কোনো
ধরনের
তদবির
বা
লবিং
অযোগ্যতা হিসেবে
বিবেচিত হওয়া
উচিত।
তাঁর
মতে,
নেতৃত্বে এমন
ব্যক্তিদের আনা
প্রয়োজন, যাদের
সততা
ও
দুর্নীতি দমনে
দৃঢ়
অবস্থান নিয়ে
প্রশ্ন
নেই।
গত ২২
জুন
আপিল
বিভাগের বিচারপতি রেজাউল
হকের
নেতৃত্বে পাঁচ
সদস্যের সার্চ
কমিটি
গঠন
করা
হয়।
কমিটি
ছয়জনের
সংক্ষিপ্ত তালিকা
রাষ্ট্রপতির কাছে
পাঠাবে। সেখান
থেকে
তিনজন
কমিশনার নিয়োগ
দেওয়া
হবে
এবং
তাঁদের
মধ্য
থেকেই
একজনকে
চেয়ারম্যান করা
হবে।
এখন
সার্চ
কমিটির
সুপারিশ ও
চূড়ান্ত নিয়োগের দিকেই
নজর
সংশ্লিষ্ট মহলের।