ঢাকা    রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩
City News

মাদকই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির মূল কারণ: ত্রাণমন্ত্রী



মাদকই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির মূল কারণ: ত্রাণমন্ত্রী
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু

মাদক নির্মূলে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। তিনি বলেছেন, শুধু আইন করে মাদক নির্মূল করা সম্ভব নয়  জন্য জনগণ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রশাসনের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

রোববার দুপুরে রংপুরে আলোচিত চার খুনের ঘটনাস্থল পরিদর্শন এবং নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, ‘মাদকের ব্যাপারে সংসদে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান করেছি আমরা। আশা করি, মৃত্যুদণ্ড যেহেতু সর্বোচ্চ শাস্তি এবং জনগণের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করতে হবে। কারণ জনগণসহ আইন-প্রশাসন ছাড়া আমরা মাদক নির্মূল করতে পারব না।

রংপুরের চার খুনের ঘটনা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, হত্যাকাণ্ডটি অত্যন্ত লোমহর্ষক মর্মান্তিক। ঘটনার নিন্দা জানানোর ভাষা তাঁর নেই।

নিহতদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, মাদকাসক্ত হয়ে অভিযুক্তরা তাঁদেরপ্রিয় স্যারগণপতি চক্রবর্তীকে নিয়মিত বিরক্ত করতেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। কারণে তিনি বাধা দিতে গেলে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।

দুই মূল আসামি গ্রেপ্তার

মন্ত্রী বলেন, হত্যাকাণ্ডের পরপরই পুলিশ প্রশাসন দুই মূল আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে। তাঁরা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার ধরনের হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে।

আসাদুল হাবিব দুলু আরও বলেন, রামিশাকে হত্যার ঘটনায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে এবং বিচারকাজও শেষ হয়েছে। তাঁর নিজ জেলা নন্দিনীর একটি শিশু হত্যার মামলার বিচারকাজও ১৫ দিনের মধ্যে শেষ করা হয়েছিল বলে জানান তিনি।

চার খুনের ঘটনায় অধিকতর তদন্ত শেষে পুলিশ দ্রুত অভিযোগপত্র দাখিল করবে বলেও জানান মন্ত্রী। অল্প সময়ের মধ্যে হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

সন্দেহের কারণ নেই

মূল আসামিরা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘মূল আসামিরা তো স্বীকারোক্তি দিয়েছে যে তারা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। এখানে সন্দেহ থাকার কোনো কারণ নেই।

তিনি আরও বলেন, তাঁর মতে, মাদকই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির মূল কারণ।

সময় রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান সামসুজ্জামান সামু, জেলা প্রশাসক সুলতানা পারভীন, জেলা পরিষদের প্রশাসক সাইফুল ইসলামসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বিষয় : মাদক আইনশৃঙ্খলা রংপুর চার খুন মৃত্যুদণ্ড আসাদুল হাবিব দুলু

City News

রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬


মাদকই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির মূল কারণ: ত্রাণমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ৩০ আগস্ট ২০২৬

featured Image

মাদক নির্মূলে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। তিনি বলেছেন, শুধু আইন করে মাদক নির্মূল করা সম্ভব নয়  জন্য জনগণ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রশাসনের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

রোববার দুপুরে রংপুরে আলোচিত চার খুনের ঘটনাস্থল পরিদর্শন এবং নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, ‘মাদকের ব্যাপারে সংসদে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান করেছি আমরা। আশা করি, মৃত্যুদণ্ড যেহেতু সর্বোচ্চ শাস্তি এবং জনগণের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করতে হবে। কারণ জনগণসহ আইন-প্রশাসন ছাড়া আমরা মাদক নির্মূল করতে পারব না।

রংপুরের চার খুনের ঘটনা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, হত্যাকাণ্ডটি অত্যন্ত লোমহর্ষক মর্মান্তিক। ঘটনার নিন্দা জানানোর ভাষা তাঁর নেই।

নিহতদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, মাদকাসক্ত হয়ে অভিযুক্তরা তাঁদেরপ্রিয় স্যারগণপতি চক্রবর্তীকে নিয়মিত বিরক্ত করতেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। কারণে তিনি বাধা দিতে গেলে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।

দুই মূল আসামি গ্রেপ্তার

মন্ত্রী বলেন, হত্যাকাণ্ডের পরপরই পুলিশ প্রশাসন দুই মূল আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে। তাঁরা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার ধরনের হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে।

আসাদুল হাবিব দুলু আরও বলেন, রামিশাকে হত্যার ঘটনায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে এবং বিচারকাজও শেষ হয়েছে। তাঁর নিজ জেলা নন্দিনীর একটি শিশু হত্যার মামলার বিচারকাজও ১৫ দিনের মধ্যে শেষ করা হয়েছিল বলে জানান তিনি।

চার খুনের ঘটনায় অধিকতর তদন্ত শেষে পুলিশ দ্রুত অভিযোগপত্র দাখিল করবে বলেও জানান মন্ত্রী। অল্প সময়ের মধ্যে হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

সন্দেহের কারণ নেই

মূল আসামিরা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘মূল আসামিরা তো স্বীকারোক্তি দিয়েছে যে তারা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। এখানে সন্দেহ থাকার কোনো কারণ নেই।

তিনি আরও বলেন, তাঁর মতে, মাদকই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির মূল কারণ।

সময় রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান সামসুজ্জামান সামু, জেলা প্রশাসক সুলতানা পারভীন, জেলা পরিষদের প্রশাসক সাইফুল ইসলামসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


City News


কপিরাইট © ২০২৬ City News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
মাদকই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির মূল কারণ: ত্রাণমন্ত্রী
0:00 0:00
1.0x