ঢাকা    মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩
City News

ব্যাটম্যানের মুখোশ, প্রযুক্তি আর আকস্মিক বিক্ষোভে মোদি সরকারের চ্যালেঞ্জ



ব্যাটম্যানের মুখোশ, প্রযুক্তি আর আকস্মিক বিক্ষোভে মোদি সরকারের চ্যালেঞ্জ
ছবি: সংগ্রহ

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে পুলিশের কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা ও ব্যাপক ধরপাকড়ের মধ্যেও আন্দোলন চালিয়ে যেতে নতুন কৌশল নিচ্ছেন তরুণ বিক্ষোভকারীরা। ব্যাটম্যানের মুখোশ, ডিজিটাল মানচিত্র এবং আকস্মিক সমাবেশের মতো পদ্ধতি ব্যবহার করে তাঁরা পুলিশের নজরদারি ও বাধা মোকাবিলার চেষ্টা করছেন। নির্বাচন কমিশনের প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে চলমান এই আন্দোলন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।

ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে বিতর্কের জেরে নির্বাচন কমিশনের প্রধান জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করছেন বিক্ষোভকারীরা। রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে হাজার হাজার পুলিশ ও নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। বিক্ষোভের প্রধান কেন্দ্র জন্তর মন্তরে প্রবেশে বাধা দেওয়ায় আন্দোলনকারীরা বিকল্প স্থানে আকস্মিক সমাবেশ করছেন। এতে তাঁদের কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণে রাখতে হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ।

বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টিকে (বিজেপি) নির্বাচনী সুবিধা দিতে পারে। তবে নির্বাচন কমিশন পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

আটক ব্যক্তিদের সহায়তায় প্রযুক্তির ব্যবহার

বিক্ষোভ চলাকালে আটক ব্যক্তিদের খুঁজে বের করা এবং তাঁদের সহায়তা দিতে প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগ নিয়েছেন একদল তরুণ স্বেচ্ছাসেবী। ৩৬ বছর বয়সী কনটেন্ট নির্মাতা মেঘনাদ এসের নেতৃত্বে প্রায় ১৭০ জনের একটি দল এ কাজে যুক্ত হয়েছে।

স্মার্টফোনের মাধ্যমে আটক ব্যক্তিদের কোথায় নেওয়া হচ্ছে, সে বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করে একটি ডিজিটাল ড্যাশবোর্ডে যুক্ত করছেন স্বেচ্ছাসেবীরা। পরে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে স্বেচ্ছাসেবী চালকদের কাছে প্রয়োজনীয় তথ্য পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

আটক ব্যক্তিদের সহায়তায় যাত্রাপথে খাবার, পানি ও জ্বালানির ব্যবস্থা রয়েছে কি না, তা-ও নিশ্চিত করার চেষ্টা করছেন তাঁরা। প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসকদের সহায়তাও নেওয়া হচ্ছে, যাতে যাত্রাপথে কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে চিকিৎসা দেওয়া যায়।

মুখোশ ও মেকআপে পরিচয় আড়ালের চেষ্টা

পুলিশের নজরদারি ও মুখ শনাক্তকরণ প্রযুক্তির মধ্যে নিজেদের পরিচয় আড়াল করতে মুখোশ ও মেকআপ ব্যবহারের ঘটনাও সামনে এসেছে। কয়েকজন বিক্ষোভকারী ব্যাটম্যানের মুখোশ পরে প্রতিবাদে অংশ নিয়েছেন।

বলিউড অভিনেত্রী রিচা চাড্ডাও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মেকআপ ব্যবহার করে নজরদারি ক্যামেরা ও মুখ শনাক্তকরণ প্রযুক্তি এড়ানোর বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন।

আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত শিক্ষার্থী নেত্রী নেহা বোরাকে ঘিরেও একটি ঘটনা আলোচনায় এসেছে। তাঁর সঙ্গে চেহারার মিল থাকায় অন্য এক নারীকে পুলিশ ভুল করে আটক করেছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে নেহা বোরার সঙ্গে ওই নারীর ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

এ ছাড়া পুলিশের হাতে আটক হওয়ার পর কিছু বিক্ষোভকারীর পুলিশি যানবাহন থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টার ঘটনাও ঘটেছে। সব মিলিয়ে আন্দোলনকারীদের নতুন কৌশল ও পুলিশের নিরাপত্তাব্যবস্থার মধ্যে একধরনের ইঁদুর-বিড়াল লড়াই চলছে।

ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে বিতর্ক

ভারতে ভোটার তালিকা সংশোধনকে কেন্দ্র করেই সাম্প্রতিক আন্দোলনের সূত্রপাত। বিরোধী দল ও আন্দোলনকারীদের দাবি, তালিকা সংশোধনের নামে বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে, যা বিজেপিকে নির্বাচনী সুবিধা দিতে পারে। বিশেষ করে মুসলিমসহ সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর ভোটাররা এতে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

তবে নির্বাচন কমিশন ও বিজেপি উভয়ই এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। নির্বাচন কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, মৃত, স্থানান্তরিত এবং যাঁদের শনাক্ত করা যায়নি, এমন ভোটারদের তথ্য যাচাইয়ের অংশ হিসেবেই তালিকা সংশোধন করা হয়েছে।

গত সপ্তাহান্তে ব্যাপক ধরপাকড়ের পরও আন্দোলন থামেনি। বিক্ষোভকারীরা নির্বাচন কমিশনের প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

কর্মসংস্থান থেকে রাজনৈতিক আন্দোলন

গত কয়েক মাসে তরুণদের নেতৃত্বাধীন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) বিভিন্ন ইস্যুতে আন্দোলন সংগঠিত করেছে। সরকারি স্কুলের অবকাঠামো, কর্মসংস্থান এবং পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো বিষয় নিয়ে শুরু হওয়া প্রতিবাদ পরে বিস্তৃত রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপ নেয়। এর আগে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতেও আন্দোলন জোরালো হয়েছিল।

সাম্প্রতিক বিক্ষোভে শিক্ষার্থী, তরুণ কর্মী ও বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর অংশগ্রহণ আন্দোলনের পরিসর বাড়িয়েছে। পুলিশের কঠোর অবস্থানের মধ্যেও বিকল্প কৌশলে কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘটনা দেশটির রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

তরুণদের এই আন্দোলন এখন শুধু ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে অভিযোগের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। কর্মসংস্থান, প্রশাসনিক জবাবদিহি ও প্রতিবাদের অধিকার নিয়েও অসন্তোষ সামনে আসছে। ফলে নিরাপত্তামূলক পদক্ষেপের পাশাপাশি অভিযোগগুলোর স্বচ্ছ তদন্ত ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার প্রশ্নও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সূত্র: দ্য জাপান টাইমস

বিষয় : প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নয়াদিল্লি ভোটার তালিকা বিজেপি তরুণ বিক্ষোভ

City News

মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬


ব্যাটম্যানের মুখোশ, প্রযুক্তি আর আকস্মিক বিক্ষোভে মোদি সরকারের চ্যালেঞ্জ

প্রকাশের তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে পুলিশের কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা ও ব্যাপক ধরপাকড়ের মধ্যেও আন্দোলন চালিয়ে যেতে নতুন কৌশল নিচ্ছেন তরুণ বিক্ষোভকারীরা। ব্যাটম্যানের মুখোশ, ডিজিটাল মানচিত্র এবং আকস্মিক সমাবেশের মতো পদ্ধতি ব্যবহার করে তাঁরা পুলিশের নজরদারি ও বাধা মোকাবিলার চেষ্টা করছেন। নির্বাচন কমিশনের প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে চলমান এই আন্দোলন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।

ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে বিতর্কের জেরে নির্বাচন কমিশনের প্রধান জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করছেন বিক্ষোভকারীরা। রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে হাজার হাজার পুলিশ ও নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। বিক্ষোভের প্রধান কেন্দ্র জন্তর মন্তরে প্রবেশে বাধা দেওয়ায় আন্দোলনকারীরা বিকল্প স্থানে আকস্মিক সমাবেশ করছেন। এতে তাঁদের কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণে রাখতে হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ।

বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টিকে (বিজেপি) নির্বাচনী সুবিধা দিতে পারে। তবে নির্বাচন কমিশন পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

আটক ব্যক্তিদের সহায়তায় প্রযুক্তির ব্যবহার

বিক্ষোভ চলাকালে আটক ব্যক্তিদের খুঁজে বের করা এবং তাঁদের সহায়তা দিতে প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগ নিয়েছেন একদল তরুণ স্বেচ্ছাসেবী। ৩৬ বছর বয়সী কনটেন্ট নির্মাতা মেঘনাদ এসের নেতৃত্বে প্রায় ১৭০ জনের একটি দল এ কাজে যুক্ত হয়েছে।

স্মার্টফোনের মাধ্যমে আটক ব্যক্তিদের কোথায় নেওয়া হচ্ছে, সে বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করে একটি ডিজিটাল ড্যাশবোর্ডে যুক্ত করছেন স্বেচ্ছাসেবীরা। পরে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে স্বেচ্ছাসেবী চালকদের কাছে প্রয়োজনীয় তথ্য পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

আটক ব্যক্তিদের সহায়তায় যাত্রাপথে খাবার, পানি ও জ্বালানির ব্যবস্থা রয়েছে কি না, তা-ও নিশ্চিত করার চেষ্টা করছেন তাঁরা। প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসকদের সহায়তাও নেওয়া হচ্ছে, যাতে যাত্রাপথে কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে চিকিৎসা দেওয়া যায়।

মুখোশ ও মেকআপে পরিচয় আড়ালের চেষ্টা

পুলিশের নজরদারি ও মুখ শনাক্তকরণ প্রযুক্তির মধ্যে নিজেদের পরিচয় আড়াল করতে মুখোশ ও মেকআপ ব্যবহারের ঘটনাও সামনে এসেছে। কয়েকজন বিক্ষোভকারী ব্যাটম্যানের মুখোশ পরে প্রতিবাদে অংশ নিয়েছেন।

বলিউড অভিনেত্রী রিচা চাড্ডাও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মেকআপ ব্যবহার করে নজরদারি ক্যামেরা ও মুখ শনাক্তকরণ প্রযুক্তি এড়ানোর বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন।

আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত শিক্ষার্থী নেত্রী নেহা বোরাকে ঘিরেও একটি ঘটনা আলোচনায় এসেছে। তাঁর সঙ্গে চেহারার মিল থাকায় অন্য এক নারীকে পুলিশ ভুল করে আটক করেছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে নেহা বোরার সঙ্গে ওই নারীর ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

এ ছাড়া পুলিশের হাতে আটক হওয়ার পর কিছু বিক্ষোভকারীর পুলিশি যানবাহন থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টার ঘটনাও ঘটেছে। সব মিলিয়ে আন্দোলনকারীদের নতুন কৌশল ও পুলিশের নিরাপত্তাব্যবস্থার মধ্যে একধরনের ইঁদুর-বিড়াল লড়াই চলছে।

ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে বিতর্ক

ভারতে ভোটার তালিকা সংশোধনকে কেন্দ্র করেই সাম্প্রতিক আন্দোলনের সূত্রপাত। বিরোধী দল ও আন্দোলনকারীদের দাবি, তালিকা সংশোধনের নামে বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে, যা বিজেপিকে নির্বাচনী সুবিধা দিতে পারে। বিশেষ করে মুসলিমসহ সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর ভোটাররা এতে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

তবে নির্বাচন কমিশন ও বিজেপি উভয়ই এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। নির্বাচন কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, মৃত, স্থানান্তরিত এবং যাঁদের শনাক্ত করা যায়নি, এমন ভোটারদের তথ্য যাচাইয়ের অংশ হিসেবেই তালিকা সংশোধন করা হয়েছে।

গত সপ্তাহান্তে ব্যাপক ধরপাকড়ের পরও আন্দোলন থামেনি। বিক্ষোভকারীরা নির্বাচন কমিশনের প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

কর্মসংস্থান থেকে রাজনৈতিক আন্দোলন

গত কয়েক মাসে তরুণদের নেতৃত্বাধীন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) বিভিন্ন ইস্যুতে আন্দোলন সংগঠিত করেছে। সরকারি স্কুলের অবকাঠামো, কর্মসংস্থান এবং পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো বিষয় নিয়ে শুরু হওয়া প্রতিবাদ পরে বিস্তৃত রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপ নেয়। এর আগে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতেও আন্দোলন জোরালো হয়েছিল।

সাম্প্রতিক বিক্ষোভে শিক্ষার্থী, তরুণ কর্মী ও বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর অংশগ্রহণ আন্দোলনের পরিসর বাড়িয়েছে। পুলিশের কঠোর অবস্থানের মধ্যেও বিকল্প কৌশলে কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘটনা দেশটির রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

তরুণদের এই আন্দোলন এখন শুধু ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে অভিযোগের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। কর্মসংস্থান, প্রশাসনিক জবাবদিহি ও প্রতিবাদের অধিকার নিয়েও অসন্তোষ সামনে আসছে। ফলে নিরাপত্তামূলক পদক্ষেপের পাশাপাশি অভিযোগগুলোর স্বচ্ছ তদন্ত ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার প্রশ্নও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সূত্র: দ্য জাপান টাইমস


City News


কপিরাইট © ২০২৬ City News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ব্যাটম্যানের মুখোশ, প্রযুক্তি আর আকস্মিক বিক্ষোভে মোদি সরকারের চ্যালেঞ্জ
0:00 0:00
1.0x