প্রতিবেদক : মনির হোসেন পাটোয়ারী
নারী-সংক্রান্ত অভিযোগে সাংগঠনিক তদন্তে নৈতিক স্খলনের প্রমাণ
পাওয়ার
দাবি
করে
সাতক্ষীরা–৪
আসনের
সংসদ
সদস্য
গাজী
নজরুল
ইসলামকে দল
থেকে
বহিষ্কার করেছে
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। একই
সঙ্গে
তাঁর
বহিষ্কারের বিষয়টি
বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো
হবে
বলে
সিদ্ধান্ত নিয়েছে
দলটি।
বুধবার বিকেলে
রাজধানীর মিন্টো
রোডে
বিরোধীদলীয় নেতার
সরকারি
বাসভবনে অনুষ্ঠিত জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের জরুরি
বৈঠকে
এ
সিদ্ধান্ত নেওয়া
হয়।
বৈঠকে
সভাপতিত্ব করেন
দলের
আমির
ডা.
শফিকুর
রহমান।
দলের
পক্ষ
থেকে
জানানো
হয়েছে,
কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্যরা বৈঠকে
উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকের পর
প্রকাশিত এক
সংবাদ
বিজ্ঞপ্তিতে জামায়াত জানায়,
সম্প্রতি গাজী
নজরুল
ইসলামকে নিয়ে
বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য
ও
অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সাংগঠনিক তদন্ত
পরিচালনা করা
হয়।
সেই
তদন্তে
তাঁর
নৈতিক
স্খলনের অভিযোগ
প্রমাণিত হয়েছে
বলে
দাবি
করে
দলটি।
এ
কারণে
দলীয়
গঠনতন্ত্রের ৬২
নম্বর
ধারা
অনুযায়ী তাঁকে
বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া
হয়েছে।
দলীয় সূত্রের ভাষ্য,
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গাজী
নজরুল
ইসলামের সঙ্গে
সংশ্লিষ্ট কিছু
ভিডিও
ছড়িয়ে
পড়ার
পর
বিষয়টি
তদন্তে
একটি
কমিটি
গঠন
করা
হয়।
তদন্ত
প্রতিবেদন নির্বাহী পরিষদের কাছে
উপস্থাপনের পর
বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া
হয়।
এর আগে
বুধবার
সকালে
জামায়াতের সহকারী
সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল
হালিম
বলেন,
অনৈতিকতা বা
অপরাধের অভিযোগে কাউকে
ছাড়
দেওয়ার
সুযোগ
নেই।
তিনি
বলেন,
নৈতিকতার প্রশ্নে কেউ
সংসদ
সদস্য
কি
না,
সেটি
দলের
বিবেচ্য বিষয়
নয়
অভিযোগ
প্রমাণিত হলে
সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া
হবে।
জামায়াত জানিয়েছে, গাজী
নজরুল
ইসলামের বহিষ্কারের বিষয়টি
নির্বাচন কমিশনকে দ্রুত
অবহিত
করা
হবে।
নির্বাচন কমিশন
দলীয়
সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত
প্রক্রিয়া অনুসরণ
করবে।
সংশ্লিষ্ট বিধান
অনুযায়ী আসন
শূন্য
ঘোষণা
করা
হলে
সাতক্ষীরা–৪
আসনে
উপনির্বাচনের পথ
তৈরি
হতে
পারে।